সময় সংবাদ লাইভ রিপোর্টঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক কর্তৃক এক নিরীহ নারীর চোখ উপরে ফেলা সহ হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে,ভুক্তভোগী নারী শ্যামগ্রাম দক্ষিণপূর্ব পাড়ার সৌদি প্রবাসী ফটো মিয়ার স্ত্রী মর্জিনা বেগম।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়,গত ২৩ শে নভেম্বর অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম শফিক সৌদি প্রবাসী ফটো মিয়ার ব্যক্তিগত জমি জোরপূর্বক ভরাট করতে গেলে তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম বাঁধা দেয়। এতে শফিক ক্ষিপ্ত হয়ে মর্জিনার উপর হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালায় এবং একপর্যায়ে মর্জিনার চোখ উপরে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু উপস্থিত জনতার বাধার মুখে চোখ উপরে ফেলতে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় শ্যামগ্রাম ইউনিয়নে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তিনি দীর্ঘদিন যাবত নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এ রাজত্ব কায়েম করার জন্য সে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।
শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের একাধিক সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, শফিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে এলাকার কোনো সাধারণ মানুষ তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পায়। বিশেষ করে ৫ ই আগস্ট এর পরে রাজনৈতিক পঠ পরিবর্তনের পর শফিক ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদে থাকায় আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। এলাকার প্রবাসী ও নিরীহ মানুষদের জমি দখল,মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি সহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে এর আগে একাধিক সাধারণ মানুষ শফিক ও তার ক্যাডার বাহিনীর হাতে শারীরিকভাবে লজ্জিত হয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য শফিকের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দাবি, শফিকের এমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য শফিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সে যাতে তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঢাল হিসেবে যুবদলকে ব্যবহার করতে না পারে তার জন্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উচ্চ পর্যায় থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।