ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গিয়ে প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেট বাঁধার সম্মুখীন হয়েছে, হচ্ছে । আর যেখান থেকেই চাঁদাবাজির সূত্রপাত সেই ফুটপাত দখলমুক্ত করতেই বাঁধার সম্মূখীন হচ্ছে ম্যাজিস্ট্রেট । যে যেভাবে পেরেছে সরকারি জায়গা দখল করে ফেলেছে। দখলমুক্ত করতে গেলেই পুলিশ কে ও মানছে না ।
আবার এদিকে আজ থেকে শুরু হয়েছে ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো লোকদের কান্নাকাটি। মানে তারা এগুলো কে নিজেদের অধিকার ভেবে ফেলেছে।
সরকার উচ্ছেদ করতে আসলে ই প্রশ্ন করে আমাদের বিকল্প কর্মসংস্থান করে দেন। মানে আসলে ই সব কিছু তে সরকারের দায়?
গ্রামে কৃষি কাজের লোক নেই। যাদের একটা সন্তান লালনপালনে হিমশিম খেতে হয় তাদের ৩/৪ টা সন্তান।
সরকার পরামর্শ দিতে গেলেই,বলে ধর্মে নাকি অধিক সন্তান নিতে বলেছে। তা এই অধিক সন্তানদের ভরণপোষণ এবং তাদের ভবিষ্যত কে ঠিক করে দেবে?
এগুলোর দায়িত্ব ও সরকারের? মানে নিজেরা সচেতন হবো না। অন্যায় করবো আর সেটার দায় ও সরকারের দেব।
এত ছোট দেশে এত বিপুল জনসংখ্যা যার অধিকাংশ ই ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কোটিপতি হতে চায়। তাদের তো স্বয়ং ফেরেস্তারা এসেও ঠিক করতে পারবে না।
যারা চীনের তুলনা দেয়, তারা কি জানে দীর্ঘ একটা সময় চীনে ১ সন্তান নীতি ছিলো।সাথে চীনের মানুষ মারাত্মক পরিশ্রমী এবং সৎ।
আমরা কতটা সৎ? যেখানে সরকারি জায়গা দখল করা কে অধিকার ভাবি, সেখানে চীনের মতো উন্নতি সম্ভব না। একদিকে যেমন সরকারের নীতিনির্ধারনে ভুল আছে। তেমনি অন্যদিকে আমরা নিজেরা অসচেতন, অসৎ, লোভী।
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সরকারের আরো কঠোর হওয়া দরকার।
যারা এদের পক্ষে মায়া কান্না দেখাচ্ছে এই সুশীল শয়তানদের জন্য জীবনে ও কোন সরকার কোন ভালো উদ্যোগ সফল করতে পারেনি।
ঢাকার ফুটপাত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলে আর দখলমুক্ত হলে যানজট পর্যন্ত কমে যাবে। মানুষ হাঁটা এবং বাইসাইকেল ব্যবহারে গুরুত্ব দেবে৷ ঢাকার রাস্তা গুলো দখলমুক্ত হোক।
বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য যা কল্যাণকর সেই সকল কাজ সরকার কে দয়ামায়াহীন ভাবে করতে হবে। আইন ভাঙ্গা আর অমান্য করার প্রবণতা এই দয়া দেখানো থেকেই শুরু হয়।