বাংলাদেশে বর্তমান জ্বালানি সংকট ও তীব্র যানজট নিরসনে সরকারের নতুন পরিকল্পনা-
সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ও ৩ দিন অফলাইন ক্লাস। এই সিদ্ধান্তের মাঝেই ষষ্ঠ শ্রেণীর এক খুদে শিক্ষার্থীর ছোট্ট একটি মন্তব্য এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল: “অনলাইন ক্লাস হলে নকলের পরিমাণ বাড়বে।” কথাটি শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক গভীর ও তিক্ত বাস্তবতা। স্ব-শরীরে ক্লাসে যেখানে শিক্ষকের সরাসরি নজরদারি থাকে, সেখানে অনলাইনে ডিভাইস আর ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাধু উপায়ে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।
যদিও সরকারি জরিপ বলছে দেশের প্রায় ৫৫% মানুষ এই নতুন পদ্ধতির পক্ষে এবং এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও যানজট কমার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও বড় কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পড়াশোনা সহজ হলেও—শিক্ষার প্রকৃত মান কি বজায় থাকবে? ডিজিটাল ডিভাইসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি কি শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধা হবে না? এবং সবচেয়ে বড় বিষয়—অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কার্যকর পদ্ধতি আমাদের কাছে কতটা প্রস্তুত?
একটি শিশুর সরল স্বীকারোক্তি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, কেবল পদ্ধতি পরিবর্তন করলেই হবে না, বরং সেই পদ্ধতির নেতিবাচক দিকগুলো সামলানোর সক্ষমতাও অর্জন করতে হবে। আমরা কি আসলেই এই হাইব্রিড (অনলাইন-অফলাইন) শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত?
আপনার মূল্যবান মতামত কী? এই সিদ্ধান্ত কি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেবে, নাকি নতুন কোনো সংকটের জন্ম দেবে?
সময় সংবাদ লাইভ