ঢাকা শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

ফুটপাত উচ্ছেদ !! ভোগান্তির শেষ হবে কবে?

ফুটপাত উচ্ছেদ !! ভোগান্তির শেষ হবে কবে?

‎ফুটপাত ব্যবসা উচ্ছেদ নিয়ে আমার কোন মায়াকান্না নাই। যে ফুটপাত দিয়ে প্রতিদিন ৩ লক্ষ মানুষ যাওয়া আসা করে। ৫০০ জন মানুষ সে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করা শুরু করলে, সে ৩ লাখ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। ঐ রাস্তা ন্যারো হয় জ্যাম বাড়ে। মাসে ২'শ-৩'শ কোটি টাকা কর্মঘণ্টা নষ্ট হবার শামিল।

‎ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করা অবৈধ। ঢাকা পোস্ট ২০২২ সালে রিপোর্ট করছিলো ফুটপাত ব্যবসা থেকে বছরে নেতা ও পুলিশদের ইনকাম ৩ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা তারা পাচার করে। যেহেতু ফুটপাতের বিজনেস অবৈধ তাই তাদের সেলস মনিটরিং সম্ভব না। তাই টাকাগুলা ব্ল্যাক মানি হিসেবে পাচার করাই সবাই বেস্ট সলুশন মনে করে। 

‎আপনি ফুটপাত থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে জিন্স কিনছেন মানে, নেতা ও পুলিশদের ১০০ টাকা দিছেন। তারা এই টাকা ব্ল্যাক মানি বলে পাচার করে বেগম পাড়ায় বাড়ি কিনতেছে। কম টাকায় পণ্য কেনার ফাঁদে মানুষ তার ক্রয়ক্ষমতা হারাচ্ছে। কারণ তার এলাকা থেকে টাকা অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছে। টাকা তার এলাকায় সার্কুলেট হবার সুযোগ কমতেছে। 

‎আমার কাছে ছিনতাই ও ফুটপাত ব্যবসা দুইটাই অ'বৈধ দুইটাই অপ'রাধ লাগে। গরীব বলে কাউকে ফুটপাতের ব্যবসা দিলে, আমি বলবো আপনি গরীব বলে ছি'নতাইকারীদেরকেও ছিনতাই করতে দেন।

‎তাছাড়া প্রতিটা এলাকার সুয়ারেজ লাইনের সীমাবদ্ধতা আছে। ফুটপাতের ব্যবসার ফলে সুয়ারেজ লাইন জ্যাম হয়ে যায়। অনেকে বলবে স্ট্রিট বিজনেস সারা বিশ্বে আছে। একমত আছে। কিন্তু সেগুলার একটা অ্যাকাউন্টিবিলিটি থাকে, মনটরিং সিস্টেম থাকে। 

‎আমাদের দেশে কিছু কিছু জায়গায় সপ্তাহের স্পেসিফিক দিন ফুটপাত ব্যবসার সুযোগ দেয়া যেতে পারে। কিন্তু ঢাকার ৭০% ফুটপাতে এখন বাঁশ গাইড়া, বাপের বাড়ির সম্পদ আকারে যে ব্যবসা শুরু হইছে সেটা নগরবাসীর জন্য অমানবিক।


রিপোর্ট-বার্তা সম্পাদক

‍সময় সংবাদ লাইভ


আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত